ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

৩৬ টাকা দরে ধান, ৪৯ টাকায় চাল কিনবে সরকার

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৭:৩৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৩৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬

৩৬ টাকা দরে ধান, ৪৯ টাকায় চাল কিনবে সরকার

আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হচ্ছে। এটি চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সারাদেশে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে এই ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার। ধানের কেজি ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা, আতপ চাল ৪৮ টাকা এবং গমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা। 

বুধবার (২২ এপ্রিল) খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী-সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বছর সারা দেশে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, সাড়ে ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করবে।

মন্ত্রী বলেন, ধানের কেজি ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা, আতপ চাল ৪৮ টাকা এবং গম ৩৬ টাকা মূল্যে সরকারিভাবে সংগ্রহের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, চাল সংগ্রহ করার বিষয়ে আমাদের চাহিদার বিপরীতে কী পরিমাণ মজুত রাখব, কী পরিমাণ নিরাপত্তা মজুত এবং কী পরিমাণ আমদানি করব— এই বিষয়গুলো নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সভায়। 

মন্ত্রী বলেন, দেশে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে ২৪ থেকে ২৫ লাখ মেট্রিক টন। সরকারের কাছে বর্তমানে মজুত আছে ১৭ থেকে ১৮ লাখ মেট্রিক টন। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জিটুজি পদ্ধতিতে সরকার গম আমদানি করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতিতে একটি সমঝোতা রয়েছে বাংলাদেশের। সেখান থেকে পুরোপুরি আমদানি সম্ভব না হলে বিকল্প যেকোনো উন্মুক্ত পদ্ধতিতে গম আমদানি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে চালের উৎপাদনে ঘাটতি নেই। আমদানি প্রয়োজন হবে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সংগ্রহকৃত অবশিষ্ট চাল মজুত করা হবে। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চালে আমাদের জাতীয় চাহিদা ৪ কোটি ২৪ লাখ মেট্রিক টন। চালের ক্ষেত্রে আমাদের ঘাটতি নেই। উৎপাদনও ভালো হয়েছে এ বছর। আমাদের যে আবহাওয়া রিপোর্ট, সেই অনুসারে এ পর্যন্ত দুর্যোগের কোনো আশঙ্কা নেই, ইনশাআল্লাহ। সেই হিসেবে আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রার চাইতেও বেশি উৎপাদন করতে পারবো বলে  আশা করছি।

 

ব্যাংকার প্রতিবেদন

আরও পড়ুন