ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

পাওয়ার গ্রিডকে ১৫২৯ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যুর সম্মতি বিএসইসির

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১১:২৪, ২৩ মে ২০২৬ | আপডেট: ১১:২৬, ২৩ মে ২০২৬

পাওয়ার গ্রিডকে ১৫২৯ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যুর সম্মতি বিএসইসির

রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডকে সরকারের অনুকূলে ১ হাজার ৫২৯ কোটি ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৩৭০ টাকার অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যুর বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

গত ২০ মে এ সংক্রান্ত চিঠি ইস্যু করেছে বিএসইসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, পাওয়ার গ্রিড বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সচিবের অনুকূলে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১৫২ কোটি ৯১ লাখ ৯৪ হাজার ২৩৭টি অগ্রাধিকারমূলক (প্রেফারেন্স) শেয়ার ইস্যু করবে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ডিপোজিট ফর শেয়ারের বিপরীতে এ শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি।

সম্প্রতি পাওয়ার গ্রিড বিদ্যুৎ বিভাগের অনুকূলে থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১৩২ কোটি ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৪টি অগ্রাধিকারমূলক (প্রেফারেন্স) শেয়ার ইস্যু করেছে। ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত ১ হাজার ৩২৪ কোটি ২৯ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪০ টাকার ‘ডিপোজিট ফর শেয়ারের’ এ শেয়ার ইস্যু করেছে কোম্পানিটি।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ২৪ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৩৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকা ১১ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩৯ টাকা ২৯ পয়সায়।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত পাওয়ার গ্রিডের অনুমোদিত মূলধন ১৫ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯১৩ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ৪৮৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯১ কোটি ৩৮ লাখ ৬ হাজার ৯৯১। এর ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ২২, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪ দশমিক ৭৩, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

আরও পড়ুন