ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

২ মাঘ ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা লোপাট, মামলায় সালমান রহমানসহ আসামি ২২

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০:৫৭, ৯ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২০:৫৭, ৯ জানুয়ারি ২০২৬

জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা লোপাট, মামলায় সালমান রহমানসহ আসামি ২২

ঋণের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানেসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) মামলা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। 

অনুমোদিত মামলায় সালমান এফ রহমানের ভাই এ এস এফ রহমান ও আসামি হয়েছেন। এছাড়া সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান আসামি হয়েছেন।

এছাড়া বেক্সিমকোর পরিচালক ইকবাল আহমেদ, এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক রীম এইচ শামসুদ্দোহা ও এমডি ওসমান কায়সার চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে।

আর জনতা ব্যাংকের তৎকালীন সিইও আব্দুছ ছালাম, তৎকালীন ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল জব্বার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক উপ ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক সহ ব্যবস্থাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক এজিএম শাজাহান, সাবেক এজিএম মো. হুমায়ুনি কবীর ঢালী, সাবেক ম্যানেজার শ, ম মাহাতাব হোসেন ছাড়াও আসামি হয়েছেন কোজি এপারেলস লিমিটেডের এমডি মো. মাহফুজুর রহমান খান, পরিচালক সৈয়দ তানভীর এলাহী, ক্রিসেন্ট এক্সেসরিজ লিমিটেডের এমডি আবু নাঈম মাহমুদ ও পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে অনুকূলে ইডিএফ সুবিধাসহ ঋণ সুবিধা মঞ্জুর ও প্রদান করে এলসির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মালামাল আমদানি- রপ্তানি দেখিয়ে অ্যাকোমডেশন বিল তৈরি করে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডকে নবসৃষ্টি প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে অভিযোগে বলা হয়, পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। 

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭৭ ও ১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত আইন, ২০১৫) এর ৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন