ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২:৪৫, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৫, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
একীভূত পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারা কোন প্রেক্ষাপটে শেয়ার কিনেছেন, সেটা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই পাঁচ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন ছিল- পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার আগে আপনি বলেছিলেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে? এরইমধ্যে পাঁচ ব্যাংকের শেয়ার শূন্য করে নতুন একটি ব্যাংক করা হয়েছে। সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে আপনারা কি ভাবছেন?
এর জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, শেয়ারহোল্ডারদের বিষয়টি কমপ্লিকেটেড (জটিল)। বললেই তো হবে না, ডিমান্ড করে শেয়ার এত সহজে কিন্তু এইসব জিনিসের ডিসিশন নেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, ‘আমরা যেটা বলছি ডিপোজিটররা টাকা পাবেন, এটা ভেরি সিমপল। যার টাকা জমা আছে, সে টাকা পাবেন। আর শেয়ারহোল্ডাররা শেয়ার কিনেছে কোন কনটেক্সটে কিনেছে, মার্কেট প্রাইসে কিনেছে, শেয়ারহোল্ডার ওয়ান্টেড টু বি ওনার। ওরা ভলান্টারি তো বোঝে।’
যেসব ব্যাংকের শেয়ার শূন্য করা হয়েছে, সেগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। সম্প্রতি এসব ব্যাংক একীভূত করে নতুন কাঠামোয় আনা হয়েছে।
শেয়ারহোল্ডাররা তো বলছেন তারা আর্থিক প্রতিবেদন দেখে শেয়ার কিনেছেন এবং ৫ আগস্টের (২০২৪ সালের ৫ আগস্ট) আগের আর্থিক প্রতিবেদনে ব্যাংকগুলো মুনাফা দেখিয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘সেটা তো আমরা দেখবো। ওইটাই তো এক্সামিন (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) করছি, কোন কনটেক্সটে কিনেছে এবং দেখি কি করা যায়।’
৫ আগস্টের আগে এই পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন যারা অডিট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কি না? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই। সেটা দেখা হচ্ছে। যাই হোক এখন সব কথা বলা যাবে না।’
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন