ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ২৯ শা'বান ১৪৪৭

কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে পিকেএসএফ-বিশ্বব্যাংক চুক্তি

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১১:১৪, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৪, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে পিকেএসএফ-বিশ্বব্যাংক চুক্তি

দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পিকেএসএফ’র পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এ অর্থায়ন পিকেএসএফ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রিকভারি এন্ড এ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ) প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে যুক্ত হবে।

২০২২ সালে ২৫ কোটি মার্কির ডলারের তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু হয় ‘রেইজ’ প্রকল্পের এবং এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিলো জুন ২০২৬-এ। তবে, নতুন এ অর্থায়নের ফলে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়কালের জন্য প্রকল্পের বাজেট দাঁড়াবে ২৮ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত অর্থায়নের পর অবশিষ্ট অর্থ জোগান দেবে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহ। অর্থাৎ, ২০২২ সাল থেকে শুরু করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ‘রেইজ’ প্রকল্পের সর্বমোট বাজেটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

রেইজ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো বেকার তরুণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও অনানুষ্ঠানিক খাতে সম্পৃক্ত কর্মীদের আয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি। অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে প্রকল্পের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। ডিসেম্বর ২০৩০ পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ৪ লাখেরও অধিক মানুষ সরাসরি এবং আরো চার-পাঁচগুণ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন।

প্রকল্পের বর্ধিত অংশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে চর, হাওর, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পার্বত্য এলাকাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের। অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে ‘হোম-বেজড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রকল্পটির আওতায় তরুণদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ‘ওস্তাদ-শাগরেদ’ মডেলে হাতে-কলমে কাজ শেখানোর মাধ্যমে তাদের বাস্তব দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের সুনির্দিষ্ট ট্রেডে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

এর ফলে তারা তাদের উদ্যোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি অন্যদের জন্য আরো নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হচ্ছেন।

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন