ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ২৯ শা'বান ১৪৪৭

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করে নীতিমালা জারি

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১২:৪৩, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪৩, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করে নীতিমালা জারি

দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ শিরোনামে জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপনে আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনাকে কঠোর নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হয়েছে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহেনা পারভীন সই করলেও গতকাল সোমবার তা শিক্ষা মন্ত্রালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। 

এ নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির ওপর যৌথ দায়বদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিত বা বাতিল এবং পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়ার মতো কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন নীতিমালার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো– সম্পূর্ণ ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা চালু করা। টিউশন ফি, ভর্তি ফি, সেশন চার্জসহ প্রতিষ্ঠানের সব আয় তপশিলি ব্যাংক বা সোনালি পেমেন্ট গেটওয়ের (এসপিজি) মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। অনলাইন গেটওয়ে চালুর পর কোনো অবস্থাতেই সরাসরি নগদ অর্থ নেওয়া যাবে না।

আদায় অর্থ দুই কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো নতুন খাতে ফি আদায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নীতিমালায় মানবিক দিক বিবেচনায় শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধান রাখা হয়েছে। চিকিৎসা, দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে পরিচালনা কমিটির অনুমোদনক্রমে তারা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ছয় মাসের সমপরিমাণ অর্থ অগ্রিম বা ঋণ হিসেবে নিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে মাসিক কিস্তিতে সমন্বয় করা হবে।ৎ

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

আরও পড়ুন