ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১১:৩৩, ১৩ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৩, ১৩ মার্চ ২০২৬
পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পূবালী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ গ্রিন বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ডটি ইস্যু করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য মতে, টেকসই অর্থায়ন জোরদারে পাঁচ বছর মেয়াদি গ্রিন বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত বন্ডটির মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। আন্তর্জাতিক গ্রিন বন্ড নীতিমালা (আইসিএমএ), আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) নির্দেশিকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের টেকসই অর্থায়ন নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বন্ডটি ইস্যু করা হবে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় গ্রিন বন্ড ইস্যুর বিষয়টি অনুমোদন করা হয়। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও প্রযোজ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার শর্ত পূরণের পর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) পূবালী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৬ টাকা ৭৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৯ পয়সায়।
পূবালী ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, গত বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পূবালী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩০১ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪ হাজার ২৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩০ কোটি ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৮৬৯। এর ২৮ দশমিক ২০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে।
এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ১১, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন