ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

২৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ শা'বান ১৪৪৭

৬৫ বছর বয়সের মধ্যে শোধ করতে হবে গৃহঋণ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২:০৯, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:০৯, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৬৫ বছর বয়সের মধ্যে শোধ করতে হবে গৃহঋণ

আবাসন ঋণ পুনঃতপশিলের ক্ষেত্রে এখন থেকে বিদ্যমান মেয়াদের অতিরিক্ত ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারবে ব্যাংকগুলো। তবে সর্বশেষ কিস্তি পরিশোধ অবশ্যই  গ্রাহকের ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে শোধ করতে হবে। এতদিন ঋণের সর্বশেষ কিস্তির মেয়াদ গ্রাহকের ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত নির্ধারণের সুযোগ ছিল।

রোববার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, সাধারণভাবে গৃহনির্মাণ ঋণের মেয়াদ অনেক বেশি থাকে। তবে ২০২২ সালে ঋণ পুনঃতপশিল ও পুনর্গঠন বিষয়ে জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী ১০০ কোটি টাকার কম ঋণ পুনঃতপশিল পরবর্তী পরিশোধের মেয়াদ সর্বোচ্চ ছয় বছর মেয়াদ বাড়ানো যায়। এই নিয়মের ফলে গৃহঋণ পুনঃতপশিল পরবর্তী পরিশোধের সময়সীমা ঋণের বিদ্যমান মেয়াদের কম হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এতে করে কোনো গ্রাহক চাইলেই ঋণ পরিশোধে বাড়তি সময় নিতে পারেন না। এ কারণে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। 

সার্কুলারে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ পুনঃতপশিল করা যাবে। প্রথম দফা পুনঃতপশিলে অবশিষ্ট মেয়াদের ৩০ শতাংশ তথা ঋণ পরিশোধে কারও ১০ বছর বাকি থাকলে আরও তিন বছর বাড়াতে পারবে। দ্বিতীয় দফায় ২০ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ দফা বিদ্যমান অবশিষ্ট মেয়াদ সমপরিমাণ বাড়ানো যাবে। 

তবে পরিশোধের সর্বোচ্চ সময়সীমা কোনোভাবেই মূল ঋণ মঞ্জুরির সময়ের চেয়ে বেশি হবে না। আর সর্বশেষ কিস্তি পরিশোধের তারিখ কোনোভাবেই গ্রাহকের বয়স ৬৫ বছর অতিক্রম করবে না।

অন্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুনঃতপশিল করা ঋণ অধিগ্রহণে পূর্ববর্তী পুনঃতপশিলের ক্রম প্রযোজ্য হবে। আর এ বিষয়ে গ্রাহক থেকে ঘোষণাপত্র নিতে হবে। পুনঃতপশিলের আগে মূল ঋণ মঞ্জুরি সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টেশনসহ অন্যান্য প্রযোজ্য শর্তাদি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন