ঢাকা, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

৩ চৈত্র ১৪৩২, ২৮ রমজান ১৪৪৭

ব্যাংকের ডিজিটাল সেবায় সহজ জীবন

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৬:৪৯, ১৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৪৯, ১৭ মার্চ ২০২৬

ব্যাংকের ডিজিটাল সেবায় সহজ জীবন

এক সময় ব্যাংকিং মানেই ছিল শাখায় গিয়ে লাইনে দাঁড়ানো, ফরম পূরণ করা আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা। টাকা জমা ও উত্তোলন, বিল পরিশোধ, এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে টাকা স্থানান্তর কিংবা পরিবারের কাছে টাকা পাঠানো- সবকিছুর জন্য গ্রাহকদের ব্যাংকে যেতে হতো। প্রযুক্তির অগ্রগতি সেই চিত্র দ্রুত বদলে দিয়েছে।

এখন ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাপই যেন হয়ে উঠেছে একেকটি ব্যাংক শাখা। ঘরে বসেই ব্যাংক হিসাব খোলা, অন্য হিসাবে টাকা স্থানান্তর, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, পরিবারের কাছে টাকা পাঠানো, কেনাকাটার মূল্য পরিশোধ, বেতন-ভাতা দেওয়া, জাকাত দেওয়াসহ প্রায় সব ধরনের লেনদেন করা যাচ্ছে কয়েকটি স্পর্শে। শুধু দেশের ভেতরেই নয়, বিদেশ থেকেও এখন সহজেই দেশে টাকা পাঠানো যাচ্ছে। অর্থাৎ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে অনেক সহজ, দ্রুত ও সচ্ছন্দ্য করে তুলছে। এই পরিবর্তনের ফলে ব্যাংকের শাখায় গ্রাহকের চাপও কমেছে। সব মিলিয়ে প্রযুক্তির কল্যাণে ব্যাংকিং সেবা মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে।

একসময় মানুষ হাতে হাতে নগদ টাকা লেনদেন করতে অভ্যস্ত ছিল। তবে ধীরে ধীরে সেই অভ্যাসে পরিবর্তন ঘটছে। এখন অনেকেই ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। পুরনো ঢাকার পাদুকা ব্যবসায়ী মো. ইসমাঈল এই পরিবর্তনের বড় উদাহরণ। কয়েক বছর আগেও ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন বিল জমা দিতেন। এখন তিনি এসব ঝামেলা থেকে মুক্ত। স্মার্টফোনের মাধ্যমে মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাপ ব্যবহার করে কয়েক মিনিটেই এসব বিল পরিশোধ করছেন। শুধু বিল পরিশোধই নয়, ঈদের কেনাকাটা, কর্মচারীর বেতন দেওয়া কিংবা জাকাত প্রদান- সবকিছুই এখন ব্যাংকের ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে করছেন। 

ডিজিটাল ব্যাংকিং শুধু সচ্ছল মানুষের জীবনেই নয়, নিম্নআয়ের মানুষের জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। ঢাকার ডেমরা এলাকায় অটোরিকশা চালান হোসেন মৃধা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপায়। মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান সেখানে থাকে। আগে পরিবারে টাকা পাঠাতে হলে তিনি অপেক্ষা করতেন কোনো পরিচিত লোকের জন্য, যিনি বাড়ি যাবেন। সেই ব্যক্তির হাতে টাকা দিয়ে পাঠাতে হতো। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। নিজের মোবাইল থেকে বিকাশে স্ত্রীর কাছে টাকা পাঠিয়ে দেন হোসেন মৃধা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই টাকা পৌঁছে যায়। স্ত্রী ফোন করে জানিয়ে দেন তিনি টাকা পেয়েছেন। হোসেন মৃধা বলেন, এখন টাকা পাঠানো খুব সহজ। নিজের মোবাইল থাকায় যখন দরকার তখনই টাকা পাঠাতে পারি।

দেশে ডিজিটাল লেনদেনের উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে এটিএম বুথ, পিওএস মেশিন, সিডিএম, সিআরএম, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, প্রিপেইড কার্ড, অ্যাপভিত্তিক ব্যাংকিং ও এমএফএস সেবা। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে। আবার ব্যাংকের শাখায় গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা বা উত্তোলন করতেও সময় লাগে। এসব কারণে ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করতে আগ্রহী হচ্ছে মানুষ। অন্যদিকে নগদ ব্যবস্থাপনার খরচ কমানো, লেনদেনে স্বচ্ছতা আনা, অনিয়ম-দুর্নীতি হ্রাস ও রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য ডিজিটাল লেনদেনকে উৎসাহিত করছে সরকার।

‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগের আওতায় ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের ৭৫ শতাংশ লেনদেন ডিজিটাল করার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ জন্য একটি সর্বজনীন বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে দেশের সমস্ত ব্যাংককে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের (এনপিএসবি) সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় সব ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সারাদেশে কিউআর কোডে পেমেন্টসহ অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেনে সর্বসাধারণকে উদ্বুদ্ধকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ পুরোপুরি কার্যকর হলে ডিজিটাল লেনদেন আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান বলেন, দেশে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ

বাংলাদেশ (এনপিএসবি), রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস), বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিএএফটিএন) চালু করার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে লেনদেন সহজ করতে ইন্টার-অপারেবিলিটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বা নতুন লাইসেন্স নেওয়ার ক্ষেত্রে কিউআর কোডের মাধ্যমে ফি পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ পুরোপুরি কার্যকর হলে ডিজিটাল লেনদেন যেমন বাড়বে, তেমনি লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে। এতে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে দুর্নীতির সুযোগ কমে আসবে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. এজাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ এখনও নগদবিহীন অর্থনীতির প্রাথমিক ধাপে রয়েছে। তবে কার্ড ও বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেনের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। তার মতে, ডিজিটাল লেনদেন বাড়লে নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি কমে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়েও সহায়তা করে। তিনি মনে করেন, এ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বচ্ছ চার্জ কাঠামো এবং গ্রাহকদের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে সময়মতো বিল পরিশোধ ও সাইবার নিরাপত্তা মেনে চললে ক্যাশলেস লেনদেন আরও নিরাপদ ও লাভজনক হবে।

ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যাংকগুলোও এখন ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী অ্যাপভিত্তিক সেবা চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা ঘরে বসেই প্রায় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা নিতে পারছেন। বিদেশ থেকে দেশে, শহর থেকে গ্রামে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই টাকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনেক ব্যাংক কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনের সুবিধাও দিচ্ছে। ফলে নগদ অর্থ ব্যবহার না করেও সহজে কেনাকাটা করা সম্ভব হচ্ছে।

কার্ড, অ্যাপ, এমএফএস ও কিউআর কোডে লেনদেন বাড়ছে

গ্রাহকদের ডিজিটাল লেনদেনে আগ্রহী করে তুলতে সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা, অফার ও ছাড় দেয় ব্যাংকসহ প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে উৎসব উপলক্ষে এসব ছাড়ের পরিমাণ বেশি থাকে। এবারও রোজা ও ঈদ উপলক্ষে নানা অফার আর ছাড় দিয়েছে বিভিন্ন ব্যাংক। এতে সাধারণ সময়ের তুলনায় ডিজিটাল লেনদেন কয়েক গুণ বৃদ্ধির আশা করছেন তারা। বিশেষ করে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, কিউআর কোড পেমেন্ট এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে কেনাকাটার প্রবণতা এখন দ্রুত বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রি-পেইড মিলে মোট ব্যাংক কার্ডের সংখ্যা ছিল প্রায় ২ কোটি ৪১ লাখ। পাঁচ বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ১৮ লাখ। অন্যদিকে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে কার্ডের মাধ্যমে মোট লেনদেন হয়েছিল ২০ হাজার ৬২৫ কোটি টাকার, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৪৪ কোটি টাকা।

কার্ডের পাশাপাশি ব্যাংকের অ্যাপভিত্তিক লেনদেনও দ্রুত বাড়ছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ। ওই মাসে এ সেবার মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। গত আগস্টে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক ছিল ১ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার। আর লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা।

অন্যদিকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (এমএফএসে) নিবন্ধিত অ্যাকাউন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি। ওই মাসে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ লাখ কোটি টাকারও বেশি। সেখানে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এমএফএসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া কিউআর কোড ব্যবহার করে গত ডিসেম্বরে মোট লেনদেন হয়েছে (মার্চেন্ট পেমেন্টসহ) প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, যা গত আগস্টেও ছিল ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকা।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খান বলেন, ডিজিটাল লেনদেনে বিভিন্ন ছাড় দেওয়ার সবচেয়ে বড় দিক হলো আস্থার উন্নয়ন। আগে যারা ডিজিটাল লেনদেনে ভয় পেতেন, উৎসবের এই বিশেষ ছাড়গুলো তাদের সেই জড়তা কাটিয়ে দিচ্ছে। এটি কেবল সাময়িক কোনো প্রবণতা নয়, বরং একটি ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ বা নগদবিহীন সমাজ গঠনের পথে বড় ধাপ। ডিজিটাল লেনদেনে কেবল সময়ই বাঁচে না, বরং প্রতিটি কেনাকাটায় কিছু সাশ্রয় মূল্যেও পণ্য কেনাকাটা হয়। এই সচেতনতাই গ্রাহকদের প্রথাগত ব্যাংকিং থেকে আধুনিক স্মার্ট ব্যাংকিংয়ের দিকে স্থায়ীভাবে ধাবিত করছে।

প্রতারণা ও সমন্বয়ের অভাব এখনও বড় চ্যালেঞ্জ

ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থার অন্যতম বড় সুবিধা হলো লেনদেনের স্বচ্ছতা। প্রতিটি লেনদেনের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকায় হিসাব রাখা সহজ হয়। তবে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অনলাইন প্রতারণা। অনেক সময় প্রতারকরা ফোন বা বার্তার মাধ্যমে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ছাড়া সব ডিজিটাল সেবার মধ্যে এখনও পুরোপুরি সমন্বয় তৈরি হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে এক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো সহজ নয়। ফলে গ্রাহকদের একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হয়। এ ছাড়া ডিজিটাল পেমেন্টের প্রক্রিয়া সম্পর্কে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষদের জানাশোনার অভাবও আরেকটা বড় চ্যালেঞ্জ।

ব্র্যাক ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছরে দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের অনেক উন্নতি হয়েছে। দেশের শহুরে জনগণ ডিজিটাল পেমেন্টে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। এখনও জনগণের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষেরা ডিজিটাল পেমেন্টের প্রক্রিয়া সম্পর্কে খুব ভালো জানেন না। এটি নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বিধা বা ভয়ও কাজ করে। সবাইকে ডিজিটাল পেমেন্টে অভ্যস্ত করতে পারাটাই এখানে মূল চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের ব্যবহার কম থাকাটাও ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমকে গড়তে দিচ্ছে না। অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে থাকাটাও একটা বড় সংকট। কারণ দেশের নগদ লেনদেনের মূল অংশটাই আবর্তিত হয় এই শ্রেণিকে ঘিরে। ফলে এই ব্যবসায়ীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে নিয়ে আসতে পারলে ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম অনেক বড় হয়ে যাবে।

সূত্র: দৈনিক আমাদেরসময়

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন