ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১০:৫৪, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৪, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বহুজাতিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পেপ্যাল। তবে নতুন কোনো বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ ও ধাপে ধাপে অনুসরণযোগ্য প্রক্রিয়া থাকায় এতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।
মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) সম্মেলনে তার বিভিন্ন বৈঠক ও কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ডব্লিউইএফের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে তিনি পেপ্যালের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। ‘নীতিগতভাবে পেপ্যাল এখন বাংলাদেশে প্রবেশে আগ্রহী,’ বলেন তিনি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই আগ্রহকে তাৎক্ষণিক প্রবেশ হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না, কারণ নতুন বাজারে প্রবেশের আগে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও পেপ্যালের মধ্যে আলোচনা বহু বছর ধরেই চলছিল। তবে বিভিন্ন কারণে আগে প্রতিষ্ঠানটি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী ছিল না। তার পক্ষ থেকে কয়েক মাস ধরে বার বার অনুরোধের পর গত ডিসেম্বর পেপ্যালের একটি জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে। ওই দল চার থেকে পাঁচ দিন ধরে দেশের উদ্যোক্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে।
লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, ‘এই প্রথম আমি পেপ্যালের সঙ্গে সরাসরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছি। প্রতিষ্ঠানটি আগ্রহী হলেও এখন তারা অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শুরু করবে।’ তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পেপ্যালের ভেতরে আলোচনা, বিতর্ক এবং পরিচালনা পর্ষদ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে। এসব শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে পেপ্যাল আসছে—এমন কোনো ধারণা তৈরি করতে চায় না প্রতিষ্ঠানটি।
তবে নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন তুলে ধরে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, পেপ্যাল বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে পুরোপুরি আশ্বস্ত। বাংলাদেশের জনসংখ্যাগত সম্ভাবনা আগে থেকেই ছিল, তবে বর্তমানে সুশাসনের উন্নতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির আস্থা আরও বেড়েছে।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন