ঢাকা, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

২১ মাঘ ১৪৩২, ১৬ শা'বান ১৪৪৭

গোবরের উৎকট গন্ধের গ্রাম হয়ে উঠলো সার্কুলার ইকোনমির বড় উদাহরণ

শাখাওয়াত উল্লাহ

প্রকাশ: ১০:৪২, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪২, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

গোবরের উৎকট গন্ধের গ্রাম হয়ে উঠলো সার্কুলার ইকোনমির বড় উদাহরণ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ছোট্ট গ্রাম জিয়ালার ঘোষপল্লী। দেশের অন্যান্য সনাতনী ঘোষ সম্প্রদায়ের মতো জিয়ালার ঘোষপল্লীতেও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গরু লালন পালন ছিল প্রধান জীবিকা। এই কাজে পুরুষদের চেয়ে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি ছিল। ছোট্ট এই পল্লীতে একসময় ছিল শত শত গরু আর সেই গরুর সঙ্গেই ধীরে ধীরে জমতে থাকে পাহাড়সম গোবর। ২০১৭ সালের দিকে গ্রামটিতে গরুর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০। প্রতিটি পরিবারের আয়ের মূল উৎস ছিল গোয়ালের দুধ। শুরুতে ছিল দেশি গরু - খাবার কম, দুধও কম। কিন্তু আয় বাড়ানোর তাগিদে একসময় গ্রামে আসতে শুরু করে বিদেশি উন্নত জাতের গরু।

এই উন্নত জাতের গরু দুধ উৎপাদনে আশীর্বাদ হয়ে এলেও গোবরের দিক থেকে হয়ে ওঠে অভিশাপ। আগে যেখানে প্রতি গরু থেকে দিনে গড়ে ৫–৬ কেজি গোবর পাওয়া যেতো, সেখানে বিদেশি গরু থেকে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫-২০ কেজিতে। পরিবারের জ্বালানি ও সারের প্রয়োজন মিটিয়েও বিপুল এই গোবর সামলানো ক্রমেই অসম্ভব হয়ে পড়ে।

প্রতিদিনের জমে ওঠা গোবরে গোটা গ্রাম একসময় পরিণত হয় বিশাল এক বাগাড়ে। গরুর ঘর ছিল স্যাঁতস্যাঁতে ও অন্ধকার, বাতাসে ছড়িয়ে থাকতো তীব্র দুর্গন্ধ। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট খালটি গোবরে ভরে যেতে থাকে, মাছ হারায় তার অস্তিত্ব। সেই দূষণ খাল বেয়ে পৌঁছাতে থাকে পাশের কপোতাক্ষ নদীতে। বর্ষা এলে পরিস্থিতি হয় আরও ভয়াবহ ।

গ্রামের অধিকাংশ পুরুষ কাজের অজুহাতে সন্ধ্যার পর বাজারে আড্ডা দিতেন মধ্যরাত পর্যন্ত। ঘরে থেকে যেতেন নারী ও শিশুরা দুর্গন্ধ, স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ আর অসুস্থতার মধ্যে। শিশু ও নারীদের শরীরে দেখা দিতো চর্মরোগসহ নানা রোগ। এমন নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গ্রামে বাইরের কেউ বিয়ের সম্পর্ক গড়তেও অনীহা দেখাতো।

অন্যদিকে অন্ধকার ও স্যাঁতস্যাঁতে গোয়ালঘরে গরুর অসুখ লেগেই থাকতো, বাছুর মারা যেতো অস্বাভাবিক হারে। পরিবেশ বিপন্ন হয়, বিপন্ন হয় মানুষের স্বাস্থ্য ও সামাজিক জীবনও। তবু গরুই ছিল গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা।

এই চরম সংকটের মুখেই বদলাতে শুরু করে গল্পের মোড়। ভয়াবহ গোবর সমস্যার সমাধান খুঁজতে গিয়েই জিয়ালার ঘোষপল্লীতে একে একে আসতে থাকে পরিবর্তনের বার্তা। দুর্দশার এই গ্রাম রূপ নিতে শুরু করে ‘সার্কুলার ইকোনোমি’র এক জীবন্ত উদাহরণে। যে বর্জ্য একদিন এই গ্রামকে অসহ্য করে তুলেছিল, সেই গোবরই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে সম্পদ।

শেখ এয়াকুব আলীর বয়স এখন ৬৪। ছেলেবেলা থেকেই তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করেন। ১৯৯১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘উন্নয়ন প্রচেষ্টা’ নামে একটি সংস্থা। তালা উপজেলা ছাড়িয়ে এখন তিন জেলায় এই সংস্থার কাজ চলমান। এর মাধ্যমে বদলে গেছে হাজার হাজার মানুষের জীবনযাত্রা। এয়াকুব আলী ভাবেন জিয়ালা গ্রামের ঘোষ পল্লীর এই ভয়াবহ দূষণ কীভাবে রোধ করা যায়? তিনি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ)-এর সহযোগী সংস্থা হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে। পিকেএসএফ-এর কর্মকর্তারা গ্রামটি পরিদর্শন করে সিদ্ধান্ত নিলেন এখানেই কাজ করতে হবে। খামারিদের যুক্ত করা হয় বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়িত সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি)-এর সাথে।

গোবর ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ

এসইপি-এর আওতায় পিকেএসএফ গোবর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেয়। বড় বড় শেডে খামারিরা গোবর জমা করার পাশাপাশি গোমূত্র ও গোসলের পানির জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করা হয়, যা গ্রামের সব খামারের সঙ্গে যুক্ত। এই তরল বর্জ্য তিন স্তরে প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধন করা হয়। সর্বশেষ জিকজ্যাক ড্রেনেজ সিস্টেমে পরিশোধিত পানি খালে নিঃস্বরণ হয়। এতে করে খালের দূষণ বহুলাংশে কমে আসে।

এদিকে জমা করা গোবরের জন্য তৈরি করা হয় নতুন ক্রেতা। পিকেএসএফ ঋণ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে ভার্মিকম্পোস্ট, ট্রাইকো কম্পোস্ট উৎপাদনের জন্য উদ্যোক্তা তৈরি করে। সেসব উদ্যোক্তাকে এসব খামার থেকে গোবর সংগ্রহের জন্য সংযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়। এতে করে খামারিরা গোবর বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছেন। যা আগে ফেলে দেওয়া হতো সেই গোবর এখন প্রতি বস্তা ১০ থেকে ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে নতুন প্রযুক্তি

সাধারণত গরমের সময় গরুকে দিনে অন্তত তিনবার গোসল করাতে হয়। বিদেশি জাতের বড় বড় গরুকে একবার গোসল করাতে অন্তত ২৫০ লিটার পানি খরচ করতে হতো বলে জানান খামারিরা। এটি ভূগর্ভের পানি। পাশের উপজেলাগুলোর জন্য এই পানি বড় দুর্লভ। উন্নয়ন প্রচেষ্টার প্রকল্প ব্যবস্থাপক খায়রুজ্জামান বলেন, ‘আমরা নতুন ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তি (IOT) খামারিদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। এতে করে মোবাইলের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে খামারের তাপমাত্রা কত, সেই অনুযায়ী ফ্যান চলছে, তাপমাত্রা আরও বেশি হলে ফগার মেশিন চালু করা যাচ্ছে হচ্ছে। এতে করে গবাদিপশুর গোসলের জন্য পানির ব্যবহার কমছে। খামার প্রতি ৫ থেকে ৮ হাজার লিটার পানি বেঁচে যাচ্ছে রোজ। এতে আমাদের ভূগর্ভের পানি সাশ্রয় হচ্ছে। আবার প্রতি খামারে চালু করা হয়েছে সোলার প্যানেল, এতে খামার প্রতি মাসিক বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হচ্ছে অন্তত ২০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। গরু পালন ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সম্পদ সাশ্রয় ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য উন্নয়ন প্রচেষ্টা এবার যুক্ত হয়েছে পিকেএসএফ-এর নতুন প্রকল্প সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন, সংক্ষেপে স্মার্ট প্রকল্পের সাথে। এতে পার্শ্ববর্তী ১৮ মাইল ও বাকা’র খামারিদের যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান সংস্থার কর্মকর্তা খায়রুজ্জামান।

জৈব সার উৎপাদনে ঘটেছে বিপ্লব

জিয়ালার ঘোষ পাড়ার গোবরের শেড থেকে প্রতিদিন শত শত টন গোবর সংগ্রহ করেন আশেপাশের গ্রামের জৈব সার উৎপাদনকারীরা। ২০১৩-১৪ সাল থেকে এসব জৈব সার উৎপাদনকারী ভার্মিকম্পোস্ট উৎপাদন করতেন। এরপর শুরু হয় ট্রাইকো কম্পোস্ট ও ট্রাইকো লিচেট উৎপাদন। এরকম একজন উদ্যোক্তা হলেন শিবপুর গ্রামের মোড়ল আব্দুল মালেক। তাঁর বাড়ির সামনে দেখা যায়, দু’পাশে দুটি শেডে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন হচ্ছে। একটিতে তিনজন নারী কেঁচো থেকে সার আলাদা করছেন। বাড়ির ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, পুরো বাড়িটিই যেন একটি জৈব সারের কারখানা। কোথাও মাটির মধ্যে গর্ত করে চৌবাচ্চার মতো কাঠ ও প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে, কোথাও একটার ওপর আরেকটা রিং দিয়ে, কোথাও বিশাল স্তূপের গোবর ঢেকে রাখা হয়েছে, আবার কোথাও সারি সারি বস্তায় বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে জৈব সার।

প্রতি কেজি সার পাইকারি বিক্রি করা হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়। এসব সার বিক্রি হয়ে যায় বাড়ির উঠোনেই। পাইকাররা বাড়ি থেকেই সংগ্রহ করেন। কোনো কোনো কোম্পানি এখানেই নিজেদের ব্র্যান্ডের বস্তায় ভরে নিয়ে যান, পরে বাজারজাত করে। ট্রাইকো কম্পোস্ট থেকে যে নির্যাস বের হয় সেটা আবার প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই কীটনাশক ব্যবহারে ফসলের ক্ষেতে উপকারী পোকার ক্ষতি হয় না। ক্ষতিকর পোকা দমনে এটি প্রাকৃতিকভাবে কাজ করে।

মোড়ল আব্দুল মালেক বলেন, ‘আমি এক সময় মৌমাছি চাষ করতাম। কৃষকরা ক্ষেতে বালাইনাশক ব্যবহার করায় মৌমাছি কমে গেছে। তাই প্রাকৃতিক এই ট্রাইকো লিচেট উৎপাদন করছি। এতে উপকারী কোন প্রাণের ক্ষতি হবে না। আমাদের ইকো সিস্টেম ঠিক থাকবে।’

মোড়ল আবদুল মালেকের সার উৎপাদনের পেছনে মৌসুম ভেদে ১০ থেকে ২৫ কর্মী শ্রম দেন। রাষ্ট্রীয় সহায়তা পেলে এই জৈব সার উৎপাদনে বড় ধরনের সফলতা আসবে বলে তিনি জানান। কারণ রাসায়নিক সার জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট করে, বিপরীতে জৈব সার জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ায়।

বেড়েছে ঘাস উৎপাদন

দুধওয়ালা গাভীর সংখ্যা বাড়ার ফলে খাদ্যের চাহিদা বেড়েছে। তাই অনেকেই জমিতে উন্নত জাতের ঘাস চাষ করছেন। কৃষক সালমান তিন বিঘা জমিতে চাষ করেছেন নেপিয়ার ঘাস। তিনি জানান, ঘাস অন্য ফসলের চেয়ে লাভজনক। তাই সাতক্ষীরার এই অঞ্চলের কৃষকরা গো খাদ্য হিসেবে ঘাস উৎপাদন করছেন। আবার ঘাস ও অন্যান্য ফসলের ক্ষেতে ব্যবহার করছেন গোবর থেকে উৎপাদিত জৈব সার।

জৈব সার উৎপাদন যেমন বেড়েছে তেমনি পশুর খাদ্য, ভেটেরিনারি দ্রব্যের ব্যবসার প্রসারও হয়েছে এই দুগ্ধ উৎপাদন ঘিরে। দুগ্ধ উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় বড় বড় কোম্পানি এখান থেকে দুধ সংগ্রহ করছে। স্থানীয় সংস্থা ‘উন্নয়ন প্রচেষ্টা’ দুধের বহুবিধ ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন মেশিনারিজ স্থাপনের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। এখন থেকে এই এলাকা থেকে উৎপাদিত দুধে হবে দই, চিজ, বাটারসহ দুগ্ধজাত নানা পন্য। এজন্য আগামী নভেম্বরে নেদারল্যান্ড থেকে প্রশিক্ষক আসবেন বলেও সংস্থাটির তরফে জানানো হয়।

বাংলাদেশে বার্ষিক দুধ উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মেট্রিক টন। যা চাহিদার চেয়ে প্রায় ২১ লাখ মেট্রিক টন কম। এছাড়া, দেশে মাথাপিছু দুধের ব্যবহার বিশ্বের অন্য দেশের চেয়ে কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেব অনুযায়ী, বছরে প্রায় ৪ কোটি ডলারের দুধ ও দুগ্ধজাত পন্য আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশের গো সম্পদের বাজার রয়েছে প্রায় ২৫০ কোটি ডলারের। সাতক্ষীরার জিয়ালা গ্রামের মতো দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও পিকেএসএফ তার সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের অনুরূপ আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গাতে, অর্থনৈতিক ভাষায় কম্পারেটিভ অ্যাডভান্টেজ আছে। একেক জায়গায় একেক জিনিস প্রোডাকশন করার কম্পারেটিভ অ্যাডভান্টেজ আছে, যার প্রমাণ ওই জিনিসগুলোর একটা বিজনেস ক্লাস্টার।

তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জে অনেক ডেইরি ফার্ম আছে, সেখানে যেহেতু ওখানে চারণভূমি আছে, গো-খাদ্য এভেলেবল। আবার ভৈরব হয়েছে জুতার ফ্যাক্টরি, ব্রিটিশ আমল থেকেই তারা শুরু করছে। ওখানে জুতা তৈরি শিল্প গড়ে উঠছে, ছোট ছোট মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ।

তিনি বলেন, যেখানে যেই জিনিসের তুলনামূলক সুবিধা (কম্পারেটিভ অ্যাডভান্টেজ) আছে, সেখানে ক্লাস্টার গড়ে উঠছে। কারণ সেই জিনিসটা ওই জায়গাতে অন্যান্য জায়গার চেয়েও কম খরচে তৈরি করা যায়। ফলে তখন তাদের ব্যবসাটা ভালো। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে ভালো আয় পায়। এসব জায়গায় আমরা অর্থায়ন করলাম। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছি। সেখানে নতুন প্রযুক্তি সরবারাহ করেছি, যাতে তারা আরও প্রতিযোগিতামূলকভাবে উৎপাদন করতে পারে। এজন্য আমরা বিজনেস ক্লাস্টারগুলোতে দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে অর্থায়ন করি। যার একটি সফল উদাহরন জিয়লা গ্রাম।

উন্নত প্রযুক্তি, প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা, বাজার সংযোগ এবং সরকারের সমন্বিত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাংলাদেশের গো সম্পদ সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুচ্ছ যেমন জৈব সার, কীটনাশক, গো-খাদ্য ইত্যাদি হতে পারে আরো উৎপাদনশীল। দুধের নানাবিধ ব্যবহার এনে দিতে পারে দুধ রপ্তানিরও সুযোগ। প্রত্যন্ত তালা উপজেলার জিয়লা গ্রামের গোবর সমস্যার সমাধান এখন পুরো দেশের অর্থনীতির জন্য এই উদাহরন তৈরি করলো।

এএ

শাখাওয়াত উল্লাহ

আরও পড়ুন