ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৭:৩৮, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৩৯, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট তাঁর শুল্ক নীতির বড় একটি অংশকে অবৈধ ঘোষণা করার মাত্র একদিন পরই, শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আমদানির ওপর বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেছেন। শুরুতে ভিন্ন একটি আইনি পথ ব্যবহার করে নতুন ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।
এর মাধ্যমে তিনি তাঁর আক্রমণাত্মক শুল্ক নীতি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আদালতের শুক্রবারের সেই রায়কে "চরম আমেরিকা-বিরোধী সিদ্ধান্ত" হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে জানান যে, রায়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পর প্রশাসন আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে "আইনত অনুমোদিত ও পরীক্ষিত ১৫ শতাংশ স্তরে" নিয়ে যাচ্ছে।
১৯৭৭ সালের একটি অর্থনৈতিক জরুরি ক্ষমতা আইনের আওতায় শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করে আদালতের ৬-৩ ব্যবধানের রায়ের পরপরই, ট্রাম্প শুরুতে ভিন্ন একটি আইনি পথ ব্যবহার করে নতুন ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
একই সময়ে, এই রিপাবলিকান নেতা তাঁর বিরুদ্ধে রায় দেওয়া রক্ষণশীল বিচারপতিদের ওপর নজিরবিহীন ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়েছেন। তিনি তাঁদের "অকৃতজ্ঞতা" নিয়ে সমালোচনা করেন এবং তাঁদের "বোকা ও আজ্ঞাবহ" বলে আখ্যা দেন।
এই রায়টি উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে একটি বড় ধরণের ধমক বা প্রত্যাখ্যান, যা মূলত প্রেসিডেন্ট পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে বেশির ভাগ সময় তাঁর পক্ষেই ছিল। এটি ট্রাম্পের সেই বিশেষ অর্থনৈতিক নীতিকে বাতিল করার মাধ্যমে একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থাকে ওলটপালট করে দিয়েছিল।
শনিবারের এই ঘোষণা নিশ্চিতভাবেই আরও অনিশ্চয়তা তৈরি করবে, কারণ ট্রাম্প তাঁর বাণিজ্য যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন, যা তিনি বন্ধু এবং শত্রু উভয় পক্ষকেই প্ররোচিত করতে বা শাস্তি দিতে ব্যবহার করেছেন।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন