ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

১৮ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৩ রমজান ১৪৪৭

টানা সাত মাস কমল পণ্য রপ্তানি

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২:৫৩, ২ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২২:৫৪, ২ মার্চ ২০২৬

টানা সাত মাস কমল পণ্য রপ্তানি

নেতিবাচক ধারা থেকে বেরোতে পারছে না দেশের পণ্য রপ্তানি। গেল ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ কম। এ নিয়ে টানা সপ্তম মাসের মতো রপ্তানি কমেছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ১৯১ কোটি ডলারের পণ্য, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার সমান।

আজ সোমবার রপ্তানি আয়ের এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

এতে দেখা যায়, গত মাসে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল এবং চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানি কমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল পণ্য ও প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরানে হামলার চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে পণ্য রপ্তানি নিয়ে নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন রপ্তানিকারকেরা। তাঁরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও রপ্তানি নতুন করে সংকটে পড়বে। ইতিমধ্যে কিছু পণ্য রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হতে শুরু হয়েছে।  

দেশের মোট পণ্য রপ্তানির বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে সবচেয়ে কম তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই মাসে রপ্তানি হয়েছে ২৮২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। গত ২৮৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল। বাকি মাসগুলোতে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ২ হাজার ৫৮০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ কম।

দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিও কমেছে। গত মাসে ৮ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি তার আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম।

সামগ্রিকভাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ৭৯ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি।

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন