ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১২:১২, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১২:১৩, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গত বছরের মুনাফা থেকে শেয়ারধারীদের ২৭ কোটি টাকার লভ্যাংশ দেবে বিমা খাতের কোম্পানি গ্রীন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স। কোম্পানিটি গত ডিসেম্বরে সমাপ্ত আর্থিক বছরের জন্য শেয়ারধারীদের ২৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে আজ সোমবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে কোম্পানিটি। এর আগে রোববার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, গত বছর শেষে তাদের মুনাফাও বেড়েছে। বছর শেষে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ কোটি টাকায়। ২০২৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ৫৪ কোটি টাকা। মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়ায় কোম্পানিটি ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এবার।
সর্বশেষ ২০২১ সালে কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এরপর টানা তিন বছর ২৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল গ্রীন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স। এবার তা বেড়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৪৪ পয়সায়। ২০২৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ৫ টাকা ৩৯ পয়সা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ১ শতাংশের মতো বেড়েছে।
কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, গত বছর শেষে তাদের শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৫৩ পয়সায়।
এদিকে লভ্যাংশ বৃদ্ধির খবরে আজ সোমবার দিনের শুরুতে শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের দামও বেড়েছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রথম এক ঘণ্টার লেনদেনে গ্রীন ডেল্টার প্রতিটি শেয়ারের দাম পৌনে ৩ শতাংশ বা ১ টাকা ৬০ পয়সা বেড়ে হয়েছে ৫৯ টাকা ৩০ পয়সা।
কোম্পানিটি যে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, তার জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ মার্চ। দিনটিতে শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ থাকবে। নিয়ম অনুযায়ী, এদিন যাদের হাতে কোম্পানিটির শেয়ার থাকবে, তারা ঘোষিত লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবে। আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের পর তা শেয়ারধারীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
গ্রীন ডেল্টা ১৯৮৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এটি ভালো মৌলভিত্তির ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানি। গত ডিসেম্বর শেষে এটির শেয়ারের ৩০ শতাংশ মালিকানা ছিল কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিল কোম্পানিটির প্রায় ৪৪ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিল ২১ শতাংশ শেয়ার। বাকি প্রায় ৫ শতাংশ শেয়ার ছিল বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন